সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও রিজার্ভ ও আমদানি নিয়ে উদ্বেগ নেই: গভর্নর

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ থেকে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অভিঘাত, আগামী কয়েক মাস পর্যন্ত সামাল দিতে পারবে বাংলাদেশ। কারণ জ্বালানির দাম বাড়লেও বাড়তি আমদানি ব্যয় মেটাতে দেশের পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। গতকাল জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নবনিযুক্ত গভর্নর দেশের বৈদেশিক খাতের অবস্থান নিয়ে সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে […]

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও রিজার্ভ ও আমদানি নিয়ে উদ্বেগ নেই: গভর্নর

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও রিজার্ভ ও আমদানি নিয়ে উদ্বেগ নেই: গভর্নর

নিউজ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ থেকে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অভিঘাত, আগামী কয়েক মাস পর্যন্ত সামাল দিতে পারবে বাংলাদেশ। কারণ জ্বালানির দাম বাড়লেও বাড়তি আমদানি ব্যয় মেটাতে দেশের পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

গতকাল জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নবনিযুক্ত গভর্নর দেশের বৈদেশিক খাতের অবস্থান নিয়ে সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে মুদ্রানীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে সুদের হার কমানো এ মুহূর্তে “অবিবেচনাপ্রসূত” হবে এবং স্বল্পমেয়াদি প্রবৃদ্ধির চেয়ে মূল্যের স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

গভর্নর আর্থিক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও দেন, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের অংশ।

সভায় ডেপুটি গভর্নররাও একই ধরনের মতামত তুলে ধরেন। ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহমেদ বলেন, বর্তমানে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা কয়েক মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট।

তিনি বলেন, “এছাড়া জুনের মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করা হচ্ছে, এবং ব্যালান্স অব পেমেন্টে চাপ কমাতে আরও ২ বিলিয়ন ডলারের একটি ক্রেডিট লাইন নিশ্চিত করার কাজ চলছে।”

গভর্নর জানান, সরকার প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বা সরাসরি অনুদানের মাধ্যমে কম দামে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বিভিন্ন দেশ সফর করছেন।

এছাড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে বলে জানান গভর্নর।

তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতিতে বেশকিছু ঝুঁকি বা মূল্যস্ফীতিজনিত চাপ সৃষ্টিরও আশঙ্কা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীরা। ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের (অপরিশোধিত তেল) দাম যখন ৬২-৬৫ ডলারে ছিল, তখন জ্বালানি আমদানিতে বছরে ব্যয় হতো ১০.৫ বিলিয়ন ডলার। এখন দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, আমদানি ব্যয়ও সে তুলনায় বাড়বে।

তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের জাহাজ চলাচলের নিশ্চয়তা পেলে এই বাড়তি ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।”

গভর্নর মোস্তাকুর জানান, দীর্ঘমেয়াদি জিটুজি (সরকারের সঙ্গে সরকারের) চুক্তির আওতায়, বাংলাদেশ যেসব ফুয়েল (জ্বালানি) আমদানি করে, সেগুলো চুক্তিতে থাকা দরেই আমদানি হয়। এসব অপরিহার্য আমদানি যাতে অব্যাহত থাকে, সেজন্য সরকারের প্রচেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা বিপুল সংখ্যক শ্রমিক চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরতে পারে। এতে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি এসব বেকার শ্রমিকদের অন্ন, বস্ত্র সংস্থান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির চাপে পড়বে দেশ।

”আইএমএফ জ্বালানিতে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করতে সরকারকে শর্ত দিলে, বাংলাদেশকে তা মানতে হবে। তখন মূল্যস্ফীতি অনেক বেড়ে যেতে পারে”- বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

কঠিন শর্ত হলেও আইএমএফ এর ঋণ না নিলে বিশ্বব্যাংক, এডিবি থেকে ঋণ পাওয়া যাবে না বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা।

ডেপুটি গভর্নর জাকির হোসেন চৌধুরী বলেন, জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক দর দীর্ঘদিন ধরে বাড়তে থাকলে সরকারের ওপর বাড়তি ভর্তুকির চাপ সৃষ্টি হবে, যা বিদ্যমান রাজস্ব আহরণ পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না।

ডেপুটি গভর্নর কবির আহমেদ জানান, প্রতিবছর বর্ষাকালে আমদানির চাপ কম থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনে রিজার্ভ বিল্ড আপ করে। এবছরও বর্ষাকালে আমদানির চাপ কম থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা রিজার্ভ ও এক্সচেঞ্জ রেট (বিনিময় হার) স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অগ্রাধিকার তুলে ধরে গভর্নর মোস্তাকুর জানান, “ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরকে (আর্থিক খাত) রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা প্রথম অগ্রাধিকার। দ্বিতীয় অগ্রাধিকারে রয়েছে স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি (পাচার সম্পদ পুনরুদ্ধার) করা, এজন্য দু-একদিন পর পর মিটিং হচ্ছে। বেশিরভাগ ব্যাংক এনডিএ (নন-ডিজক্লোজার এগ্রিমেন্ট) স্বাক্ষর করেছে, বাকিরাও করবে।”

জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ বা তার বেশি না হলে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে না উল্লেখ করে তিনি জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ৬০০ কোটি টাকার স্টার্ট আপ ফান্ড থেকে আগামী জুনে ঋণ বিতরণ শুরু হবে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার জন্য রুরাল (গ্রামীণ) অঞ্চলে চাহিদা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে বা তার আগে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো চালু করতে ঋণদাতা ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

”বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরকে ডিসেন্ট্রালাইজড করার চেষ্টা করছি। বিশেষত কৃষিভিত্তিক শিল্প ও কৃষি প্রযুক্তিতে বাড়তি ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। এসএমইখাতের জন্য একটি সাবসিডাইজ ফান্ড গঠনের কথা ভাবছি। রিজার্ভ সেফ জোনে আছে এবং এক্সচেঞ্জ রেটে বড় ধরণের ডেপ্রিসিয়েশন (অবনমন) চাচ্ছি না”- যোগ করেন গভর্নর।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা থেকে সরে আসার সুযোগ নেই জানিয়ে গভর্নর বলেন, “এর কার্যক্রম গতিশীল করা হবে। দ্রুতই এমডি ও চেয়ারম্যান নিয়োগ পাবে, এবং নতুন এই ব্যাংকে কোন রাজনৈতিক প্রভাব থাকুক—তা আমি চাই না।

গত বুধবার দেশের বৃহৎ শিল্প গ্রুপগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক সভা করে তাদের সমস্যাগুলো জেনেছে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, যেসব সমস্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো সমাধান করা হবে।

আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দেশের আর্থিক লেনেদেনে একটিমাত্র কিউআর কোড থাকবে জানিয়ে গভর্নর বলেছেন, “এই বাংলা কিউআর কোড ১ জুলাই থেকে ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হবে। এর মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন বাড়বে, যা রাজস্ব আহরণ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।”

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।